মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ অক্টোবর ২০১৬

গ্রামীণ জীবন বীমা (লাভসহ) প্ল্যান-৯১

বাংলাদেশের স্বল্প আয়ের মানুষ, কৃষক-শ্রমিক, সমবায়ী পশুপালক, মৎস্যজীবী, কামার, কুমার, তাঁতীসহ যে কোন ব্যক্তি এ পরিকল্পনার আওতায় ন্যূনতম ব্যয়ে জীবন বীমার কল্যাণ লাভ করতে পারেন। গ্রামীণ জীবন বীমা পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং ইহা নিঃসন্দেহে গ্রাম বাংলায় আপামর জনসাধারণের কাছে বীমার সুফল পৌঁছে দিতে সক্ষম।

বিশেষ সুবিধাবলী

(১) প্রিমিয়ামের হার অন্যান্য পলিসির চেয়ে তুলনামূলকভাবে খুব কম।

(২) এই পরিকল্পনায় সর্বোচ্চ ২০,০০০.০০ টাকা পর্যন্ত পলিসি দেয়া হয়।

(৩) সাধারণতঃ ডাক্তারী পরীক্ষাবিহীন বীমার আওতায় এই পলিসি দেয়া হয় বলে বীমাগ্রাহকের প্রবেশকালীন বয়স সর্বোচ্চ ৪০ বছরে সীমিত থাকবে। বয়সের সন্তোষজনক প্রমাণপত্র প্রস্তাব পত্রের সাথে অবশ্যই প্রদেয়।

(৪) এই পলিসির প্রিমিয়াম বার্ষিক, ষান্মাসিক ও ত্রৈমাসিক কিস্তিতেও দেয়া যায়।

(৫) দু-বছর চালু থাকার পর বীমাগ্রাহক পরবর্তী কোন প্রিমিয়াম সময়মত পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলেও পলিসি তামাদি হবে না। সম্প্রসারিত সাময়িক বীমার (Extended Term Insurance) সাহায্যে দেয় তারিখ থেকে পরবর্তী বারো মাস ঝুঁকি বলবৎ থাকবে এবং এই সময়ের মধ্যে বীমাগ্রাহক সুদসহ বকেয়া প্রিমিয়াম দিয়ে বীমাপত্র চালু করে নিতে পারবেন। এই বর্দ্ধিত সময়ের মধ্যেও বীমাগ্রাহক সুদসহ বকেয়া প্রিমিয়াম দিতে ব্যর্থ হলে পলিসি আপনাহতেই পরিশোধিত বীমায় রূপান্তরিত হবে।

(৬) অন্যান্য জীবন বীমা পলিসির মত এই বীমার জন্য দেয় প্রিমিয়ামের উপরও আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।

(৭) শহরে বসবাসকারী স্বল্পতম আয়ের মানুষও এ পরিকল্পনার সুযোগ নিতে পারেন।

(৮) এই তালিকায় বড় অংক এবং প্রিমিয়াম দেয় পদ্ধতির উপর কোন প্রকার রিবেট দেয়া হয় না।

(৯) ত্রৈমাসিক কিস্তিতে প্রিমিয়াম দেয়া হলে হাজার প্রতি অতিরিক্ত ০.৫০ টাকা ধার্য করতে হবে।

(১০) লাভ হিসেবে বোনাস দেয়া হয়।

(১১) নতুন ফসল উঠার পর হাতে নগদ টাকা একসাথে এলে যে কোন কৃষিজীবী মানুষ সহজেই পলিসি নিতে পারেন


Share with :
Facebook Facebook