মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৬ অক্টোবর ২০১৬

স্বনির্ভর বীমা (একক প্রিমিয়াম পলিসি) প্ল্যান-৫২

বাংলাদেশের স্বল্প আয়ের মানুষ- কৃষক, শ্রমিক, সমবায়ী, পশুপালক, মৎস্যজীবী, কামার-কুমার, তাঁতী সহ দেশে/বিদেশে অবস্থানরত সকল স্তরের মানুষ একটি মাত্র প্রিমিয়াম প্রদানের মাধ্যমে এই পরিকল্পনার আওতায় জীবন বীমার কল্যাণ লাভ করতে পারেন। স্ব নির্ভর বীমার প্রধান উদ্দেশ্য হলো- প্রতি বছর প্রিমিয়াম প্রদানের ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়ে একটি মাত্র প্রিমিয়াম প্রদানের মাধ্যমে দেশে/বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশী শ্রমজীবি মানুষসহ নিমড়ববিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা।

স্ব-নির্ভর বীমার প্রধান আকর্ষণ:

১। একটি মাত্র প্রিমিয়াম প্রদান (১০ বৎসরের মধ্যে)।

২। মেয়াদ পূর্তির পূর্বে বীমা গ্রাহকের মৃত্যু হলে বীমাকৃত টাকার দ্বিগুণ প্রদান।

৩। একক জীবনের উপর সর্বোচ্চ বীমার অংক ৩,০০,০০০/- (তিন লাখ) টাকা।

৪। কোন ডাক্তারী পরীক্ষা রিপোর্ট এই বীমায় প্রদান করতে হবে না। একক প্রিমিয়ামের জন্য নির্ধারিত প্রস্তাবপত্র ফরম পূরণ করতে হবে।

৫। মহিলাদের জন্য কোন অতিরিক্ত প্রিমিয়াম প্রদেয় হবে না। তবে যে সব বীমা গ্রাহক বিপদ সংকুল পেশায় নিয়োজিত আছে, তাঁদের বেলায় পেশাগত অতিরিক্ত প্রিমিয়াম আদায়যোগ্য।

৬। অন্যান্য জীবন বীমা পলিসির মতো এই বীমার জন্য দেয় প্রিমিয়ামের উপরেও আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।

৭। নতুন ফসল ওঠার পর হাতে নদট টাকা এক সাথে এলে যে কোন কৃষিজীবি মানুষ সহজেই এই পলিসি নিতে পারবেন এবং বিদেশে চাকরিরত যে কোন বাংলাদেশীও এই পলিসি নিতে পারবেন।

৮। শহরে বসবাসকারী নিমড়ববিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষ যখন এককালীন টাকা পাবেন তখনই এই বীমার সুযোগ নিতে পারেন।

৯। শুধুমাত্র শিক্ষিত (এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষা পাশ) পুরুষ ও মহিলা এবং যে সব বাংলাদেশী বিদেশে চাকরি করেন তাদের বেলায় সর্বোচ্চ প্রবেশকালীন বয়স ৪৫ বৎসর পর্যন্ত এই পলিসি গ্রহণ করতে পারবেন। অন্যান্যদের বেলায় প্রবেশকালীন সর্বোচ্চ বয়স ৪০ বছর।

১০। বীমা গ্রহণের তিন বৎসর পর বীমাগ্রাহক ইচ্ছা করলে নগদ টাকার বিনিময়ে পলিসি সমর্পণ করতে পারবেন।


Share with :
Facebook Facebook